NOAA/VIIRS BLENDED NDVI composite for the week. No. 12 (15.03.2026 to 21.03.2026) over Agricultural regions of Bangladesh
NOAA/ AVHRR BLENDED VCI composite for the week No. 12 (15.03.2026 to 21.03.2026) over Agricultural regions of Bangladesh
NOAA/ AVHRR BLENDED TCI composite for the week No. 12 (15.03.2026 to 21.03.2026) over Agricultural regions of Bangladesh
NOAA/ AVHRR BLENDED VHI composite for the week No. 12 (15.03.2026 to 21.03.2026) over Agricultural regions of Bangladesh
মূখ্য কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ
মধ্য মেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ প্রদান করা হলো:
পাট
পর্যায়:অংগজ
বীজ বপনের ৪৫ দিন পর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ৮০-১০০ কেজি ইউরিয়া সার (২য় ও শেষ ডোজ) উপরি প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হলো।
নিয়মিত পাটক্ষেত পর্যবেক্ষণ করুন ও সময়োপযোগী ও কার্যকর রোগ-বালাই দমনের ব্যবস্থা নিন।
ভুট্টা (খরিফ -১)
পর্যায়:অংগজ বৃদ্ধি
সেচ প্রয়োগ করুন।
ধান আউশ
পর্যায়:বীজতলা
আউশ ধানের বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা নিন| উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করুন এবং জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন। সমবায়ভিত্তিক বীজতলা করা যেতে পারে।
পাখি যাতে বীজতলার বীজ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণ করতে হবে। চারা গজানোর ৪-৫ দিন পর বেডের উপর ২-৩ সেমি পানি রাখুন যাতে আগাছা এবং পাখির আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
বীজতলার চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতকে ২৮৩ গ্রাম হারে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন। ইউরিয়া প্রয়োগে সমাধান না হলে প্রতি শতকে ৪০০ গ্রাম জিপসাম প্রয়োগ করুন।
ধান বোরো
পর্যায়:পরিপক্ক থেকে কর্তন
ধান ৮০% পরিপক্ক হয়ে গেলে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে সংগ্রহ করে নিরাপদ জায়গায় রাখুন।
ফসল সংগ্রহের ১৫ দিন আগে জমি থেকে পানি নিষ্কাশন করে ফেলুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায়, বেগুনে কান্ড ও ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রতিকারের জন্য একরে ৪০টি ফেরোমন ফাঁদ বসানোর পরামর্শ দেওয়া হলো।
বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতে যে সমস্ত টমেটো ও বেগুন ক্ষেত ফল ধরা পর্যায়ে আছে সে সমস্ত ক্ষেতে ব্লাইট রোগের আক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য এন্টিব্যাক ১০ এসপি (স্ট্রেপ্টোমাইসিন সালফেট ৯%+ টেট্রাসাইক্লিন হাইড্রোক্লোরাইড ১%) @০.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে, সবজি ফসলে শোষক পোকার আক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ম্যালাথিয়ন ৫৭ইাস/ডাইমেথয়েট ৪০ ইসি @ ১.০ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে সপ্তাহে একবার স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় পেঁয়াজ ফসলে টিপবার্ন , পার্পল ব্লচ এর জন্য এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনোকোনাজল গ্রুপ এর ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে 1মিলি হারে ৫-৭দিন পরপর স্প্রে করুন অথবা ইপ্রোডিয়ন গ্রুপ এর ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে ৫-৭দিন পরপর স্প্রে করুন।
সেচ প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
এ সময় নারিকেলে কালো মাথার শুঁয়োপোকার উপদ্রব হতে পারে। কালো মাথার শুঁয়োপোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ক্লোরপাইরিফস ২০ ইসি অথবা ম্যালাথিয়ন ৫০ ইসি @ ২.০মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে পাতার উভয় পাশে স্প্রে করুন।
কলার জমিতে আর্দ্রতা সংরক্ষণের জন্য নারিকেলের ছোবড়ার কম্পোস্ট প্রয়োগ করা যেতে পারে।
বিরাজমান আবহাওয়া লেবু জাতীয় ফসলে ক্যাংকার রোগের জন্য অনুকূল। এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য, স্ট্রেপ্টোমাইসিন সালফেট ৫০০-১০০০ পিপিএম বা ফাইটোমাইসিন ২৫০০ পিপিএম বা কপার অক্সিক্লোরাইড ০.২% ১৫ দিন অন্তর স্প্রে করা যেতে পারে।
আমের গুটি ঝরে পড়া রোধে গ্রোথ রেগুলেটর যেমন, প্লানোফিক্স/লিটোস/ক্যালবোর প্রতি লিটার পানিতে ২.০ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হলো।
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আমে ফুল আসতে দেরি হলে ফুল আসা তরান্বিত করার জন্য পটাসিয়াম নাইট্রেট ১০ গ্রাম এবং ইউরিয়া ৫ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।
আম/লিচু ফুল ফোটার আগে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১মিলি হারে + ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২গ্রাম ১বার স্প্রে করুন।
ফল মার্বেল আকৃতির হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১মিলি হারে + কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২গ্রাম ১বার স্প্রে করুন।
সেচ প্রয়োগ করুন।
গবাদি পশু
ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মশা মাছি কমানোর জন্য ন্যাপথালিন কিংবা তারপিন তেল ব্যবহার করা যায়।
মশার প্রকোপ থেকে গবাদি পশুকে রক্ষা করুন। মশারি অথবা মাটির পাত্রে সাবধানতার সাথে কয়েল ব্যবহার করুন।
চর্মরোগ দেখা দিলে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নিন।
গোয়াল ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
গবাদি পশুকে পর্যাপ্ত পানি পান করান।
হাঁসমুরগী
হাঁসের জন্য ডাকপ্লেগ রোগের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করুন।
মুরগীর রানীক্ষেত ও কলেরা রোগের টিকা প্রদান করুন।
রোগ দেখা দিলে আক্রান্ত হাঁসমুরগী সরিয়ে ফেলুন।
পরিষ্কার পানি কিংবা অধিকতর গরমে গ্লুকোজ স্যালাইন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগীর থাকার জায়গা পরিষ্কার রাখুন।
মৎস্য
পুকুরের গভীরতা ১-১.৫ মিটার বজায় রাখুন।
পুকুরের প্রস্তুতির জন্য শতাংশে ১ কিলোগ্রাম চুন প্রয়োগ করুন।
চুন প্রয়োগের ৩/৪ দিন পর সার প্রয়োগ করুন।
প্রয়োজন হলে প্রতি শতাংশে- ৪০-৫০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা ও আকারের মাছের পোনা মজুদ করুন।
বড় আকারের পোনা মজুদ করলে বেশি ফলন পাওয়া যায়।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ১৫০-২০০ গ্রাম, টিএসপি ৭৫-১০০ গ্রাম প্রয়োগ করুন।
আখ
পর্যায়:কুশি গজানো
হালকা মাটিতে ৭ দিন ভারী মাটিতে ১০-১৫ দিন অন্তর সেচ প্রদান করুন।
বীজ রোপণের ৯০ দিন পর জমির উর্বরতা ভেদে হেক্টর প্রতি ৬২-৯৮ কেজি ইউরিয়া সার ২য় উপরি প্রয়োগ করুন এবং গোড়া মাটি দিয়ে বেঁধে দিন।