Bangladesh Agro-Meteorological Information Service (BAMIS)
Department of Agricultural Extension
National Bulletin
Date: 08 October 2025
০৮ অক্টোবর ২০২৫ (বুধবার)
সময়কালঃ ০৮.১০.২০২৫ - ১২.১০.২০২৫
ভূ-উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ - বাংলাদেশ
NOAA/VIIRS BLENDED NDVI composite for the week. No. 40 (28.09.2025 to 04.10.2025) over Agricultural regions of Bangladesh
NOAA/ AVHRR BLENDED VCI composite for the week No. 40 (28.09.2025 to 04.10.2025) over Agricultural regions of Bangladesh
NOAA/ AVHRR BLENDED TCI composite for the week No. 40 (28.09.2025 to 04.10.2025) over Agricultural regions of Bangladesh
NOAA/ AVHRR BLENDED VHI composite for the week No. 40 (28.09.2025 to 04.10.2025) over Agricultural regions of Bangladesh
মূখ্য কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ
মধ্য মেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ প্রদান করা হলো:
খুলনা অঞ্চল (জেলাসমূহ: বাগেরহাট, খুলনা, নড়াইল এবং সাতক্ষীরা)
ধান আমন
পর্যায়:কুশি গজানো
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ৫-৭ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে হলুদ মাজরা পোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। কার্বোফুরান হেক্টর প্রতি ১০ কেজি প্রয়োগ করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
সরিষা
পর্যায়:অঙ্কুরদগোম
অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে কাটুই পোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণ দেখা গেলে দমনের জন্য ক্লোরপাইরিফস ২০ইসি ২.০মিলি পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
রাঙ্গামাটি অঞ্চল (জেলাসমূহ: বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটি)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ প্রয়োগ করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে লক্ষীর গু এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সার ব্যবস্থপনা করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
আগাম শীতকালীন সবজি বাড়ন্ত ও ফুল পর্যায়ে রয়েছে। দণ্ডায়মান ফসলে মালচিং এর ব্যবস্থা করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
হালকা সেচ প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
ভুট্টা (রবি)
বর্তমান আবহাওয়া রবি ভুট্টা বপনের জন্য উপযুক্ত। অনুমোদিত জাতের ভুট্টা বীজ বপনের জন্য চাষিদের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় ভুট্টার জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ৮৫-১৮০ কেজি ইউরিয়া, ১৭৭-২৬৬ কেজি টিএসপি, ১৩৩-২০০ কেজি এমওপি, ৯৭-২০৮ কেজি জিপসাম, ১৪ কেজি জিংক সালফেট এবং ৫কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
পর্যায়:অংকুরোদগম
বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে উইপোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ফিপ্রোনিল @১৭কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করতে হবে।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
বরিশাল অঞ্চল (জেলাসমূহ: বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুর)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
বগুড়া অঞ্চল (জেলাসমূহ: বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা এবং সিরাজগঞ্জ)
ধান আমন
পর্যায়:শীষ বের হওয়া
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে হলুদ মাজরা পোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। কার্বোফুরান হেক্টর প্রতি ১০ কেজি প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে খোল পচা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নাটিভো ৭৫ ডব্লিউজি/ট্টপার/এমিস্টার টপ ৩২৫ এসপি/হেক্সাকোনাজল ১ মিলি./লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
ভুট্টা (রবি)
পর্যায়:বপন
বর্তমান আবহাওয়া রবি ভুট্টা বপনের জন্য উপযুক্ত। অনুমোদিত জাতের ভুট্টা বীজ বপনের জন্য চাষিদের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় ভুট্টার জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ৮৫-১৮০ কেজি ইউরিয়া, ১৭৭-২৬৬ কেজি টিএসপি, ১৩৩-২০০ কেজি এমওপি, ৯৭-২০৮ কেজি জিপসাম, ১৪ কেজি জিংক সালফেট এবং ৫কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
পর্যায়:অংকুরোদগম
বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে উইপোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ফিপ্রোনিল @১৭কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করতে হবে।
আখ
পর্যায়:মুখ্য বৃদ্ধি
বীজ রোপণের ১৩৫ দিন পর জমির উর্বরতা ভেদে হেক্টর প্রতি ৬২-৯৮ কেজি ইউরিয়া এবং ৬৫-১৩০ কেজি এমওপি সার ৩য় ও শেষ উপরি প্রয়োগ করুন এবং গোড়া মাটি দিয়ে বেঁধে দিন।
আখের ক্ষেতে পাতা নীচের দিকে পেঁচিয়ে একাধিক গাছ গুচ্ছ করে একসাথে বেঁধে দিন, যাতে প্রবল বাতাসে আখ হেলে না পড়ে।
কুমিল্লা অঞ্চল (জেলাসমূহ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর এবং কুমিল্লা)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
সেচ প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
ধান বোরো
পর্যায়:বীজতলা
বোরো ধানের বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা নিন| উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করুন এবং জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন। সমবায়ভিত্তিক বীজতলা করা যেতে পারে।
অনুমোদিত জাতের বীজ ব্যবহার করুন।
বীজতলার চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতকে ২৮৩ গ্রাম হারে ইউরিয়া প্রয়োগ করুন। ইউরিয়া প্রয়োগে সমাধান না হলে প্রতি শতকে ৪০০ গ্রাম জিপসাম প্রয়োগ করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
পর্যায়:অংকুরোদগম
বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে উইপোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ফিপ্রোনিল @১৭কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করতে হবে।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
রাজশাহী অঞ্চল (জেলাসমূহ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর এবং রাজশাহী)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
সেচ প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
আগাম শীতকালীন সবজি বাড়ন্ত ও ফুল পর্যায়ে রয়েছে। দণ্ডায়মান ফসলে মালচিং এর ব্যবস্থা করুন।
সেচ প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
সেচ প্রয়োগ করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
চট্টগ্রাম অঞ্চল (জেলাসমূহ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এবং নোয়াখালী)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
সেচ প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে লক্ষীর গু এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সার ব্যবস্থপনা করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
আগাম শীতকালীন সবজি বাড়ন্ত ও ফুল পর্যায়ে রয়েছে। দণ্ডায়মান ফসলে মালচিং এর ব্যবস্থা করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
হালকা সেচ প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
পর্যায়:অংকুরোদগম
বপনের ১০-১৫ দিন পর ১ম বার সেচ প্রদান করা সহ গাছের গোড়ায় মাটি তুলে বেঁধে দেওয়ার জন্য চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হলো।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
যশোর অঞ্চল (জেলাসমূহ: চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা এবং মেহেরপুর)
ধান আমন
পর্যায়:শীষ বের হওয়া
সেচ প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে হলুদ মাজরা পোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। কার্বোফুরান হেক্টর প্রতি ১০ কেজি প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে খোল পচা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নাটিভো ৭৫ ডব্লিউজি/ট্টপার/এমিস্টার টপ ৩২৫ এসপি/হেক্সাকোনাজল ১ মিলি./লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
আগাম শীতকালীন সবজি বাড়ন্ত ও ফুল পর্যায়ে রয়েছে। দণ্ডায়মান ফসলে মালচিং এর ব্যবস্থা করুন।
উদ্যান ফসল
হালকা সেচ প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
ঢাকা অঞ্চল (জেলাসমূহ: ঢাকা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী এবং টাঙ্গাইল)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
সেচ প্রয়োগ করুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
আগাম শীতকালীন সবজি বাড়ন্ত ও ফুল পর্যায়ে রয়েছে। দণ্ডায়মান ফসলে মালচিং এর ব্যবস্থা করুন।
উদ্যান ফসল
হালকা সেচ প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় কলার আরউইনিয়া রট দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধের জন্য কলার বেসিনে চুন প্রয়োগ করুন অথবা নিষ্কাশন নালায় ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করুন। রোগ যাতে না ছড়ায় সেজন্য বেশি মাত্রায় আক্রান্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে উইপোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ফিপ্রোনিল @১৭কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করতে হবে।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
দিনাজপুর অঞ্চল (জেলাসমূহ: দিনাজপুর, পঞ্চগড় এবং ঠাকুরগাঁও)
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে লক্ষীর গু এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সার ব্যবস্থপনা করুন।
সবজি
জমি থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
ফরিদপুর অঞ্চল (জেলাসমূহ: ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং শরীয়তপুর)
ধান আমন
পর্যায়:ফুল আসা
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে হলুদ মাজরা পোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। কার্বোফুরান হেক্টর প্রতি ১০ কেজি প্রয়োগ করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
ধান বোরো
পর্যায়:বীজতলা
বোরো ধানের বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা নিন| উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করুন এবং জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন। সমবায়ভিত্তিক বীজতলা করা যেতে পারে।
অনুমোদিত জাতের বীজ ব্যবহার করুন।
বীজতলার চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতকে ২৮৩ গ্রাম হারে ইউরিয়া প্রয়োগ করুন। ইউরিয়া প্রয়োগে সমাধান না হলে প্রতি শতকে ৪০০ গ্রাম জিপসাম প্রয়োগ করুন।
সবজি
জমি থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
বৃষ্টিপাতের পর বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
সরিষা
পর্যায়:অঙ্কুরদগোম
অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে কাটুই পোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণ দেখা গেলে দমনের জন্য ক্লোরপাইরিফস ২০ইসি ২.০মিলি পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
বর্তমান আবহাওয়া আলু লাগানোর জন্য উপযুক্ত।
রোপণের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত জাত ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় আলুর জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ১৬০-১৭৫ কেজি ইউরিয়া, ২০০-২২০ কেজি টিএসপি, ২৫০-৩০০ কেজি এমওপি, ১০০-১২০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট এবং ৬-৯কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে উইপোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ফিপ্রোনিল @১৭কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করতে হবে।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
রংপুর অঞ্চল (জেলাসমূহ: গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী এবং রংপুর)
গম
পর্যায়:বপন
উপযুক্ত জো অবস্থায় বপনের জন্য জমি তৈরি করুন।
শেষ চাষের পূর্বে হেক্টর প্রতি ১০ টন পঁচা গোবর/কম্পোষ্ট সার প্রয়োগ করুন সেই সাথে যথাক্রমে ১৫০ কেজি ইউরিয়া,১৩৫ কেজি টিএসপি, ১০০ কেজি এমওপি, ১১০ কেজি জিপসাম এবং ৬ কেজি বরিক এসিড বেসাল ডোজ হিসাবে জমিতে প্রয়োগ করুন।
ধান আমন
পর্যায়:দানা জমাট বাঁধা
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
সবজি
জমি থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
ভুট্টা (রবি)
বর্তমান আবহাওয়া রবি ভুট্টা বপনের জন্য উপযুক্ত। অনুমোদিত জাতের ভুট্টা বীজ বপনের জন্য চাষিদের পরামর্শ দেয়া হলো।
শেষ চাষের সময় ভুট্টার জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ৮৫-১৮০ কেজি ইউরিয়া, ১৭৭-২৬৬ কেজি টিএসপি, ১৩৩-২০০ কেজি এমওপি, ৯৭-২০৮ কেজি জিপসাম, ১৪ কেজি জিংক সালফেট এবং ৫কেজি বরিক এসিড সার ব্যাসাল ডোজ হিসাবে প্রয়োগ করুন।
অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আখ
পর্যায়:পরিপক্ক
পরিপক্ক আখ সংগ্রহ করুন।
সিলেট অঞ্চল (জেলাসমূহ: হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ এবং সিলেট)
ধান আমন
পর্যায়:শীষ বের হওয়া
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে খোল পচা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নাটিভো ৭৫ ডব্লিউজি/ট্টপার/এমিস্টার টপ ৩২৫ এসপি/হেক্সাকোনাজল ১ মিলি./লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
ধান বোরো
পর্যায়:বীজতলা
বোরো ধানের বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা নিন| উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করুন এবং জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন। সমবায়ভিত্তিক বীজতলা করা যেতে পারে।
অনুমোদিত জাতের বীজ ব্যবহার করুন।
বীজতলার চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতকে ২৮৩ গ্রাম হারে ইউরিয়া প্রয়োগ করুন। ইউরিয়া প্রয়োগে সমাধান না হলে প্রতি শতকে ৪০০ গ্রাম জিপসাম প্রয়োগ করুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।
গবাদি পশুকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
গোয়ালঘরে জীবাণুনাশক যেমন পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট/ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন।
গবাদি পশুকে শুধুমাত্র শুকনো খাবার খাওয়ান।
গোয়াল ঘরের চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। গোয়াল ঘরে যেন পানি জমে থাকতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মশামাছি থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে ন্যাপথালিন ব্যবহার করুন।
হাঁসমুরগী
শুকনো খাবার খেতে দিন এবং পরিষ্কার পানি পান করান।
খোয়াড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে তারপর হাঁসমুরগী রাখুন।
হাঁসমুরগীকে কৃমিনাশক প্রদান না করা থাকলে কৃমিনাশক প্রদান করুন।
রানীক্ষেত ও গামবোরো রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা প্রদান করুন।
মৎস্য
মাছের রোগবালাই দেখা দিলে বা কাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি না হলে নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন।
শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ২৫০-৫০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাছের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শীতকালে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে খাবার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন।
১৫ দিন পর পর নমুনায়ন করে মাছের বাড়ার হার ও রোগবালাই আছে কি না-পর্যবেক্ষণ করুন।
মাছ ঠিকমত খাবার গ্রহণ করছে কি না পর্যবেক্ষণ করুন।
নিজেদের তৈরি খাবার হলে ফরমুলা অনুযায়ী আমিষসহ অন্যান্য উপাদানের শতকরা হার বজায় রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে পরিমাণমত ভালো মানের খাবার প্রয়োগ করুন।
মজুদ পরবর্তী সার নির্দিষ্ট হারে (প্রতি দিন প্রতি শতাংশে- ইউরিয়া ৬ গ্রাম , টিএসপি ৪গ্রাম) প্রয়োগ করুন।
আলু
পর্যায়:অংকুরোদগম
বপনের ১০-১৫ দিন পর ১ম বার সেচ প্রদান করা সহ গাছের গোড়ায় মাটি তুলে বেঁধে দেওয়ার জন্য চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হলো।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে উইপোকা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ফিপ্রোনিল @১৭কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করতে হবে।
ময়মনসিংহ অঞ্চল (জেলাসমূহ: জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা এবং শেরপুর)
ধান আমন
পর্যায়:শীষ বের হওয়া
জমির পানির স্তর ২-৫ সেমি বজায় রাখুন।
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে খোল পচা এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নাটিভো ৭৫ ডব্লিউজি/ট্টপার/এমিস্টার টপ ৩২৫ এসপি/হেক্সাকোনাজল ১ মিলি./লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
সবজি
বর্তমান আবহাওয়ায় বেগুনের ফোমপসিস রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে স্প্রে করুন।
করলায় এপিলাকনা বিটল এর আক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় ডিম ও বাচ্চাসহ আক্রান্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম কার্বারিল অথবা ২ মিলি কার্বোসালফান মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
জমি থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
উদ্যান ফসল
আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে ডালিমের ব্লাইট ও ফল পচা রোগ থেকে রক্ষার জন্য ২০০ লিটার পানিতে ৬০০ গ্রাম ম্যানকোজেব ও ১০০ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম মিশিয়ে স্প্রে করুন।
বর্তমান আবহাওয়ায় ডালিমে থ্রিপস পোকার আক্রমণ হতে পারে। থ্রিপস পোকার আক্রমণ হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি স্পিনোসাড ২.৫ এসসি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। নিয়ন্ত্রণের জন্য পেয়ারা বাগানে মাছি পোকার ফাঁদ ব্যবহার করুন।
জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে নিষ্কাশন করুন।
সেচ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
গবাদি পশু
গবাদি পশুর তরকা, বাদলা ও খুরা রোগের টিকা না দেওয়া থাকলে দ্রুত টিকা প্রদান করুন।